দুবাইয়ের অভিজাত পাম জুমেইরাতে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান ও তার ছেলে যারাইফ আয়াত হোসাইনের নামে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের খোঁজ মিলেছে।
বালকিস রেসিডেন্সে অবস্থিত এই অ্যাপার্টমেন্টটির মূল্য ১৯ কোটি টাকা। পাশাপাশি তাদের নামে রয়েছে দামি গাড়িও। পাচারের টাকায় এগুলো কেনা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়াই এই সম্পদ কেনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ট্রান্সকম গ্রুপ বিদেশে বিনিয়োগের অনুমতি পায়নি।
বিদেশে অর্থ পাঠানোর নির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও এই বিনিয়োগগুলো করা হয়েছে। এই বিষয়ে বিএফআইইউ ও দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত শুরু করবে।
পাম জুমেইরা, যেখানে এই সম্পদ অবস্থিত, তা পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য হিসেবে পরিচিত। এখানে সম্পদ কেনা সাধারণত আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালায় বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার মার্কিন ডলার বিদেশে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে চিকিৎসা ও শিক্ষার জন্য আলাদা অনুমোদন লাগে।
সিমিন রহমান বর্তমানে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও। তার বাবা লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর থেকে পুরো গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ তার হাতে রয়েছে।
মিডিয়া স্টার লিমিটেডের অধীনে পরিচালিত প্রথম আলো এবং মিডিয়া ওয়ার্ল্ডের আওতায় ডেইলি স্টার নিয়েও তার প্রভাব রয়েছে।
এই দুই পত্রিকার প্রভাব ব্যবহার করে দেশে-বিদেশে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ গড়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনার ফলে দেশের অর্থপাচার এবং কর ফাঁকি বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
